৪ঠা জুলাই, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,রাত ৮:৫৫

চারিদিকে থৈথৈ পানি বাড়ছে দুর্ভোগ আর দুশ্চিন্তা

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২২

  • শেয়ার করুন

 

বন্যা আর টানা বৃষ্টি দুর্ভোগে বানভাসি মানুষ। দিন যাচ্ছে বাড়ছে দুর্ভোগ আর দুশ্চিন্তা। ব্রহ্মপুত্রের সর্বনাশা খেলায় নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার হাজার হাজার পরিবার। বেশ কিছুদিন থেকে ব্রহ্মপুত্রে বন্যার পানিতে তলিয়ে থাকায় পরিবারগুলোর মাঝে দেখা দিয়েছে খাদ্যাভাব। ত্রাণ বিতরণ শুরু হলেও ভাগ্যে জোটেনি বেশির ভাগ মানুষের। করছে অমানবিক জীবনযাপন।
ব্রহ্মপুত্রের থই থই পানি। চোখ যেদিকে যায় সেদিকেই পানি আর পানি। ভাসমান পরিবারগুলোর কষ্ট আর দুঃখ বাড়ছে। ব্রহ্মপুত্র পাড়ের পরিবারগুলো জীবনযুদ্ধের লড়াই করে বেঁচে আছে। কখনো বন্যা, কখনো খরা তছনছ করছে পরিবারগুলোকে।

দিনের পর দিন ধরে ব্রহ্মপুত্রের বন্যার পানিতে ভাসছে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ।
বন্যাউপদ্রুত এলাকার পরিবারগুলো জানায়, নিচে বন্যার পানি, উপরে বৃষ্টির পানি। রয়েছে পোকা মাকড়ের ভয়। কেউ রাত কাটাচ্ছেন বাঁধে। কষ্টের যেন শেষ নেই। ইতিমধ্যে অনেকে সরিয়ে নিচ্ছে বসত বাড়ি। ছন্নছড়া হয়ে পড়েছে নদীপাড়ের মানুষের জীবন-যাপন। উপজেলার সরকারপাড়া, মাছাবান্দা, পাত্রখাতা, সদ্দারপাড়া, ফেচকাসহ প্রায় অর্ধশত গ্রামের প্রায় হাজার হাজার মানুষজন দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে পানিবন্দি হয়ে। বন্যার্ত পরিবারের মাঝে দেখা দিয়েছে চরম খাদ্য সংকট। চরম বিপাকে পড়েছেন নারী ও শিশুরা। খাদ্যের সন্ধানে ছুটছে পরিবারগুলো।
জানা গেছে, এ পর্যন্ত সরকারিভাবে ৩০ মে.টন চাল, ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ১৫০ প্যাকেট খাবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা সবসময় প্রস্তুত আছি, বন্যার্ত মানুষের পাশে রয়েছি। এ সময় তিনি বানভাসিদের নির্ভয়ে থাকতে বলেন। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পেয়ে চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৫৭ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

  • শেয়ার করুন